Friday, October 7, 2022
HomeStoryডাবলুর করোনা কালীন জীবনি

ডাবলুর করোনা কালীন জীবনি

ডাবলুর করোনা কালীন জীবনি

আধুনিক বিশ্ব বতমান সমায়ে করোনা ভাইরাস নিয়ে বেসামাল অবস্থা ।আন্তজাতিক বিভিন্ন সংস্থা এমন কি জাতিসংঘ পযন্ত এটাকে মহামারি আখ্যা দিয়েছে ।এই ভাইরাস এমন একটা ভাইরাস একবার আক্রন্ত হলে নিজের রক্তের আপনজন ও পাশে থাকেনা ।পুরো পরিবার তার পাশ থেকে সরে যায় ।

বিশ্ব মানচিএে বাংলাদেশ একটা ছোট রাষ্ট । এদেশে যখন করোনা ভাইরাসে মহামারি চলছে তখন বরিশালের প্রতান্ত অঞ্চলে ঘটলো এক বাস্তব করুন ঘটোনা । মধ্যবিত্ত পরিবারে একটি ছেলে ।নাম তার ডাবলু ।কাজের জন্য বাংলাদেশ থেকে সৌদিআরব যাবে ।অনেক কষ্টে টাকা যোগাড় করে টাকা জমা দেয় ।মনে মনে নিজেকে সবলম্ভী করার স্বপ্ন দেখতে থাকে । বাবার সংসার থেকে অভাব দূর করার বাসনা নিয়ে ডানা মেলে উড়তে থাকে ।হঠাৎ একটা খবরে ডানাছাটা পাখির স্বপ্নের রাজ্য থেকে মাটিতে আছড়ে পড়ে ।খবরটা হলো ছেলেটি করোনা পজেটিভ ।

বতমান সময়ে বিশ্বের সব সরকার প্রধান সিদ্ধন্ত নিয়েছে এক দেশ থেকে অন্য দেশে যেতে হলে তাকে অবশ্যই বিমানে উঠার আগে তাকে করোনা টেষ্ট করতে হবে ।ছেলেটা এই নিয়মের আওতায় পড়লো ।যথারিতি বিমানে উঠার পূবে ছেলেটিরও কোভিড-19 টেষ্ট করা হলো।ভাগ্যের কি নিরমম পরিহাস ডাবলুর করোনা পজেটিভ আসে ।

এই কথা শুনার পরছেলেটির মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে ।বিষন্ন মন নিয়ে সে বিমানবন্দরের একপাশে বসে ভাবতে থাকে । এখন সে কি করবে ।দুপুর পেরিয়ে যখন বিকাল হলো তখন সে তার বাড়িতে জানাই ।ছেলেটিমোবাইলে তার বাবাক বলে এখন আমি কি করবো আমি বাড়ি ফিরে আসছি ।ছেলেটির বাবা ডাবলুকে বাড়িতে যেতে না করে । শুরু হয় তার জীবনে লোম হষক ঘটনা ।

ছেলেটি কোন উপয় না পেয়ে আবার তার বাবাকে ফোন করে । কিন্তু ছেলেটি জানত না সব চেয়ে বড় আঘাতটা এখন তার জন্য অপেক্ষা করে আছে ।ছেলেটির বাবা তাকে বলে তুমি বাড়িতে এসোনা ।তুমি কি বাড়ির সবাইকে নিয়ে মরতে চাও । ছেলেটি মনে মনে ভাবে হায়রে রক্তের বন্ধন ।বিপদে পড়লে নিজের আপন জনরাও পাশে থাকেনা ।

ডাবলুর স্থী তার বাবাকে ফোন করে সব কথা খুলে বললল ।মেয়েটির বাবা ডাবলুকে ফোন করল ।ডাবলু ফোন ধরেনা ।তার স্থী ডাবলুকে ফোন করে ।ছেলেটি বলে এই সংগ্রামটা একান্ত আমার ।মেয়েটি বলল আমি তোমার স্থী তোমার দূরদিনে আমি তোমার পাশে থাকব ।এটাই স্বাভাবিক । তুমি আমার বাবার বাড়ি ষাও ।আমার বাবার সাথে কথা বলেছি ।আমি জেনে শুনে তোমাকে বিপদে ফেলতে পারিনা ।মেয়েটি বলল তুমি আমার স্বামী তোমাকে সেবা করতে গিয়ে যদি আমার মরনও হয় তবুও আমি তোমার পাশে থাকব ।আর এটাই আমার ধম ।

আবশেষে ডাবলু তার শশুর বাড়ি ষায় ।শশুর বাড়ির একটা নিদিষ্ট ঘরে নিজেকে হোম করেনটাইনে নেয় ।মেয়েটি তার ভালোবাসা উজাড় করে ডাবলুর সেবা করতে থাকে । ধিরে ধিরে ডাবলু সুস্থ হয়ে উঠতে থাকে ।এটা সমায়ে ডাবলু সুম্পন সুস্থ হয়ে উঠে ।

আজ ডাবলুর জীবনে আনান্দের একটা দিন ।কারন আজ ১৮ ০৯ ২০২১ তারিখে ছেলেটির সৌদিআরব যাওয়ার ডাক পেয়েছে ।ছেলেটি মহা খুশি সেযেন সোনার হরিণ হাতে পেয়েছে ।বিমনে উঠার আগে ডাবলু তার শশুরকে বলে আনেক পূন্য করে আজ আমি আপনার মত এক জন শশুর আর আপনার মেয়ের মত একজন স্থী পেয়েছি ।আপনার মেয়ের সেবাই আজ আমি নতুন জীবন পেয়েছি।

আরও পড়ুনঃ মেধাবী সোহেল গ্রামের রত্ন

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

Recent Comments