Friday, October 7, 2022
HomeStoryএক অসহায় ছেলের জীবনি

এক অসহায় ছেলের জীবনি

                                 এক অসহায় ছেলের জীবন কাহিনী

শহরের  মধ্যবিত্তপরিবার এর ছেলে সুখেন। বয়েস ১৮/১৯ বছর । বাবা মারা গেছে বহদিন আগে ঘরে সৎ মা আর তিন ভাইবোন । হঠাৎ সৎমা আসুস্থ হয়ে পড়ে । অভাবের কারনে সেতার মাকে সঠিক চিকিৎসা করাতে পারেনি ।একরাত্র তার মা সুখেনের হাতে তারতিন ছেলেমেয়েকে তুলে দিয়ে বলে বাবা আমি আর বাচবো না ।তুই ছাড়া ওদের আর কউ রহিল না সুখেনতার মৃত্যু পথযাত্রী মাকে কথা দেয় সে তাদের দেখে রাখবে ।

সুখেন অত্যান্ত সৎ এবং পরিশ্রমি ছেলে ।মৃত্যুকালে মায়ের দেওয়া কথা রাখার জন্য সে তার ভাইবোনকে বুঝতে দেয়না তাদের বাবা মা নাই।তাদের খাওয়ানো পরানো থেকে শুরু করে স্কুলে নিয়ে যাওয়া পযন্ত একজন আদশবান পিতার মতো দায়ীত্ব পালন করে শুরু করে তার জিবন সংগ্রাম।তার বিশ্বাস সততা আর পরিশ্রম দিয়ে সে একদিন নিজেকে পতিষ্টিত করতে পারবে।এর মধ্য সে বিবাহ করে মমতা নামে এক মেয়েকে।ঘরের লক্ষী ঘরে ঢুকতে না ঢুকতে সুখেনের জিবনে সব সুখ তার হাতের নাগালে চলে আসে। আজ সে পতিষ্টিত।

সুখেনে একদিন কাজ শেষে বাড়ি ফেরার সময় দেখে একটি ছেলে রাস্তার পাশে দাড়িয়ে কাদছে ।সুখেন জিজ্ঞাসা করে কাদছ কেন কি হয়েছে তোমার।।ছেলেটি বলে তার বাবামা নাই যাওয়ার কোন জায়গা নাই ।সুখেন ছেলেটিকে বাড়ি নিয়ে আসে এবং ছোট ভাইবোনদের মত করে তাকেও লালন পালন করে।ছেলেটির নাম আপন।সে তার আশ্রায়দাতাকে মনেমনে দেবতা ভাবে।সে স্কুলে যায়না।সে তার অন্নদাতা বড়বাবুকে দেখভাল করে ।বাড়ির সকলের যখন যা প্রয়োজন তা সঠিক সময়ে পৌছে দেওয়াকে সে নৈতিক দায়ীত্ব বলে মনে করে।

এদিকে সুখেনের ছোট বোনটা আপনের সততা দেখে মনেমনে ভালোবাসতে শুরু করলেও মুখে বলতে পারেনা।আপন বুঝতে পারলে ধরা দেয়না।সুখেনের ব্যাবসা যখন রমারমা তখন তার ছোট ভাইরা সুখেনের ব্যবসায়ী প্রতিপক্ষ্য তার ছোট ভাইদের ফুসলাতে থাকে। বলে সুথেন তো তোমাদের আপন ভাইনা।তাহলে তোমরা কেন তোমাদের ভাগ বুঝে নিচ্ছনা।সৎভায়ের উপর এত আস্থা কেন ।সে যে তোদের ঠকাবেনা তার নিশ্চয়তা কি।তাই তোমরা তোমাদের ভাগ বুঝে নেও।আমরা সবসময় ভালোটাকে ছেড়ে খারাপটা আকড়ে থাকি ।

যেকথা সেই কাজ।তারা বাড়ি ফিরে সুখেনের কাছে তাদের সম্পতির ভাগ চাই ।দেখো দাদা তুমি আমাদের সৎদাদা।আমরা তোমার উপর আর আস্থা রাখতে পাচ্ছিনা।এই কথায় আপন অনেক কষ্ট পায় ।তাই সে এর প্রতিবাদ করে ।তখন তারা মনেমনে সিদ্ধন্ত নেয় তারা একেও বাড়ি থেকে তাড়াবে।তাই তারা মনেমনে ফন্দি করতে থাকে।একদিন সেই সুযোগ আসে।

আপনের বড়বাবু ছোট ভাইদের দেওয়া আঘাতে যখন অসুস্থ হয়ে পড়ে সে তার রক্ত বিক্রি করে ঔষুধ আনে তখন তারা শিলার ঘর থেকে শিলার হার চুরি করে আপনের ঘরে রেখে আসে।পরে অপন এলে তাকে চোর প্রমান করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়।যাওয়ার সময় সে তার বড়বাবুকে বলে সে চুরি করেনি।

মিথ্যা চুরির অপবাদ নিয়ে আপন বড়বাবুকে আদশ মেনে নিজেকে প্রতিষ্টীত করার লড়াই শুরু করে।ওদিকে সুখেনের ঋণের জন্য বাড়ি নিলমে উঠায় ।বাড়িটা সুখেনের শত্রু আবিনাশ কিনে নেই।এই আঘাতমমতা সয্য করতেনা পেরে মারা যায় ।সুখেন তার ছোট বোনকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়।এদিকে আপন আস্থে আস্থে নিজেকে সেরা গায়ক হিসাবে প্রতিষ্টীত করে।

নিজেকে প্রতিষ্টীত করার পর সেছুটে যায় মাভিলায় ।সেকানে গিয়ে শুনতে পায় বাড়ি নিলমে বিক্রির আঘাত সইতে নাপেরে উনার স্ত্রী মারা ষাওয়ার পর কোথায় চলে গেছেন কেউ জানেনা।একথা শুনে আপন প্রতিজ্ঞা করে বড়বাবুর এই অবস্থার জন্য দায়ী তাদের সে শাস্তী দিবে।এক সময় সে তার বড় বাবুর ছোট ভাইদের থেকে সব কিছু কেড়ে রাস্তায় নামিয়ে আনে।এর পর সে তার বড়বাবুর কারখানায় আগুন দিয়েছিল আপন তাকেও রাস্তার ভিক্ষিরী করে তার থেকে মাভিলা নিয়ে নেয়।

এরপর সে তার বড়বাবু মেমসহেবাকে খুজে বার করে ।সে বলে বড়বাবু বাড়ি চলো। সুখেন মনে করে আপন মনেহয় তার বাড়ি নিয়ে যাবে।কিন্তু না সে তাদের নিয়ে মাভিলায় যায়।সেখানে তার ছোটভাইরা অপেক্ষা করে আছে ক্ষমার জন্য। সুখেন আপনকে বলে ওদের ক্ষমা করলে আমার মমতার আত্তা কষ্ট পাবে। ওরা একএকটা বিষধর সাপ।ওদের ক্ষমা করলে পৃথিবীর কোন বড়ভাইরা যে আমাকে ক্ষমা করবেনা আপন বলে আজ যদি বড়মা থাকত তাহলে তুমি মুখ ফিরিয়ে নিতে পরতে।সুখেন তার ভাইদের ক্ষমা করে দিল মমতার কথা বলাই ।আপন তুই আমাকে সব ফিরিয়ে দিয়েছিস আর এচট। জিনিস তোর কাছে আমার চাওয়া আছে।আমার এই পাগলী বোনটা তোকে খুব ভালোবাসে ।তাই আমি ওকে তোর হাতে দিলাম ।দুইজনের চার হাত মিল করে দিল সুখেন ।

আরও পড়ুনঃচিকেন পক্স হলে যা করবেন

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

Recent Comments